৩০ বছর ধরে বাড়ির নিচে রয়েছেন পাতাল ভৈরবী মা, বারান্দায় ফুটে উঠল তারই প্রতিচ্ছবি

সিমেন্টের মেঝেতে ফুটে উঠল এক দেবীর অবয়ব। এও কি বিশ্বাস যোগ্য? তবে বিশ্বাস করুন ছাই না করুন, ছবি দেখলে আপনার চক্ষু ও চড়ক গাছে উঠতে বাধ্য। মেঝেতে স্পষ্ট তাঁর চোখ, নলক পরা নাক, ভ্রু যুগল এমনকী বিকশিত দন্তরাজি।এ যেন সহাস্য ভঙ্গিতে তাকিয়ে আছেন কোন দেবী।

 

দক্ষিণ চিব্বশ পরগনার বজবজের চিংড়িপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের নন্দরামপুরের এক ব্যক্তির বাড়িতে ঘটল এমনই এক বিরল ঘটনা। সুভাষ ঘাঁটি নামে ঐ ব্যক্তির বাড়ির বারান্দায় দেখা মিলেছে ‘দেবীর’ প্রতিচ্ছবি। বাড়ির লোকের কথায়,বছর দুয়েক আগে এই প্রতিচ্ছবি দেখা গেলেও পাত্তা দেননি তারা। তবে বিপত্তি ঘটেছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ছবি ভাইরাল হওয়ায়। এরই মাঝে জটাধারী এক মহিলা এসে বারান্দায় গড়াগড়ি খান এবং বলেন, এটি পাতাল ভৈরবী মায়ের ছবি। গত ৩০ বছর ধরে এই বাড়ির নিচে আছেন। তিনি সেখানে একটি মন্দির করার ও দাবি তোলেন।

 

এরপর ই বাড়িজুড়ে শুরু হয় পূজা অর্চনা, প্রতিচ্ছবি ঘিরে জমতে থাকে দক্ষিণার পাহাড়। পাতাল ভৈরবী কে দেখতে আসছেন অগণিত দর্শনার্থী, বাড়ছে দানের পরিমাণ। এদিকে বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা বুজরুকি বলে ওড়ালেন। তবে পাতাল ভৈরবী মাকে নিয়ে এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য ক্রমশ বেড়েই চলেছে।