আবার পিছলো উচ্চ প্রাথমিকে মামলার শুনানি পরবর্তী শুনানি ২৫ সেপ্টেম্বর ।

বেতার বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নুর মোহাম্মদ খান –         ২১ সেপ্টেম্বর ; “তারিখের পর তারিখ” পশ্চিমবঙ্গে উচ্চ প্রাথমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের যেন এক বলিউড চলচ্চিত্র । পরবর্তী উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ মামলার শ‍ুনানি ২৫ সেপ্টম্বর । সোমবার শুনানিতে আবার পিছলো উচ্চ প্রাথমিকে মামলার শুনানি পরবর্তী শুনানি ২৫ সেপ্টেম্বর ।

সোমবার শুনানিতে জানালো কলকাতা হাইকোর্ট। । আজ উচ্চ প্রাথমিকের গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হল কলকাতা হাইকোর্টে । ইচ্ছামত টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা প্রভৃতি অভিযোগে জেরবার আপার প্রাইমারি নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি আজ শুরু হয় দুপুর ২ টো নাগাত । টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা, গেজেট মেনে সংরক্ষিত ক্যাটাগরিতে সিট ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও অপ্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত রাখা । প্রভৃতি অভিযোগে দীর্ঘদিন আটকে আছে আপার প্রাইমারি নিয়োগ প্রক্রিয়া । আজ আখতার‍ুল ইসলাম বনাম রাজ্য সরকার এবং ভানু রায় বনাম রাজ্য সরকার, এই দুই মামলা বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে শুনানি হয়।

কয়েকদিন আগে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য একে একে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি বঞ্চনা করা হয়েছে, সেই বিষয়গুলি তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভানু রায় মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের আর এক আইনজীবী ফিরদৌস শামিম প্রায় ৪০০ পাতার সাপ্লিমেন্টরি জমা দেন। এরপর বিচারপতি মামলাকারীদের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কি করলে সব কিছুর সমাধান হতে পারে তা কোর্টের সামনে বিশদে ব্যাখ্যা করতে হবে।

 

আজ শুনানিতে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবীরা বিচারপতিকে একাধিক তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বলেন “পাহাড় প্রমান দূর্নীতি হয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে। তাই স্বচ্ছতার সাথে পুনরায় মেরিট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে।” এরপর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি রুল গুলি পেশ করেন । পাশাপাশি অ্যাডভোকেট জেনারেল এই সংক্রান্ত যত মামলা রয়েছে তাঁর একটা তালিকা তুলেদেন বিচারপতির হাতে। বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, “আক্তারুল বা ভানু রায়ের যে মামলা চলছে এই মামলায় যা অর্ডার হবে সেই রায় কার্যকর হবে এই ধরনের যাবতীয় মামলার ক্ষেত্রে ।” পরের শুনানি তে বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য অ্যাডভোকেট জেনারেল কে আজ জানতে চান, তিনি যে রিট পটিশনের ৭৭৬ টি তালিকা দিয়েছেন তা কি সম্পূর্ণ? না আরও আছে? কিশোর দত্ত জানান এটি সম্পূর্ণ তালিকা নয় ।

তখন চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বিচারপতিকে বলেন, “ স্কুল সার্ভিস কমিশন আমাকে একটা চিঠি কমিউনিকেট করেছিল গত ১১-০৮-২০২০ যেখানে ১৯৭৯ টা রিট পিটিশন পেন্ডিং কিন্তু এখানে মাত্র ৭৭৬ টা আছে । সুতরাং এই ৭৭৬ টি বাদ দিয়েও কমপক্ষে ১২০৩ টি রিট পিটিশন এখনও পেন্ডিং রয়েছে ।” তখন অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, আরও প্রায় ১৮০০ টি রিট পিটিশন এখনও পেন্ডিং রয়েছে । সেগুলো প্রধান বিচারপতির সেক্রেটারি কে পাঠানো হয়েছে । পাশাপাশি সেক্রেটারি কে অনুরোধ করা হয়েছে দেওয়ার(অ্যাসাইন) জন্যে। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার রিট পিটিশন পেন্ডিং রয়েছে। আজও অ্যাডভোকেট জেনারেলের বলা শেষ হয়নি । পরবর্তী শুনানি আগামী শুক্রবার। অর্থাৎ ২৫শে সেপ্টেম্বর । অপরদিকে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙ্গছে আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীদের । দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে শুধুই তারিখের পর তারিখ সমস্যার সমাধান কবে হবে এটা ভেবেই দিনের পর দিন হতাশ হয়ে যাচ্ছে চাকরিপ্রার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা সারা পশ্চিমবাংলার সকল শিক্ষিত মানুষ চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছে কলকাতা হাইকোর্টের দিকে । সকলেই চাইছেন যেন খুব দ্রুত কলকাতা হাইকোর্ট সমস্ত নিয়োগ বিধি মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার রায় দেওয়া হোক স্কুল সার্ভিস কমিশনকে । কলকাতা হাইকোর্ট। । আজ উচ্চ প্রাথমিকের গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি হল কলকাতা হাইকোর্টে । ইচ্ছামত টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা প্রভৃতি অভিযোগে জেরবার আপার প্রাইমারি নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি আজ শুরু হয় দুপুর ২ টো নাগাত । টেটের নাম্বার বাড়িয়ে দেওয়া, রেসিও না মানা, গেজেট মেনে সংরক্ষিত ক্যাটাগরিতে সিট ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও অপ্রশিক্ষণ প্রাপ্ত চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত রাখা । প্রভৃতি অভিযোগে দীর্ঘদিন আটকে আছে আপার প্রাইমারি নিয়োগ প্রক্রিয়া । আজ আখতার‍ুল ইসলাম বনাম রাজ্য সরকার এবং ভানু রায় বনাম রাজ্য সরকার, এই দুই মামলা বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্যের বেঞ্চে শুনানি হয়।

কয়েকদিন আগে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য একে একে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় যোগ্য প্রার্থীদের প্রতি বঞ্চনা করা হয়েছে, সেই বিষয়গুলি তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভানু রায় মামলায় চাকরিপ্রার্থীদের আর এক আইনজীবী ফিরদৌস শামিম প্রায় ৪০০ পাতার সাপ্লিমেন্টরি জমা দেন। এরপর বিচারপতি মামলাকারীদের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, কি করলে সব কিছুর সমাধান হতে পারে তা কোর্টের সামনে বিশদে ব্যাখ্যা করতে হবে।

আজ শুনানিতে চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবীরা বিচারপতিকে একাধিক তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি বলেন “পাহাড় প্রমান দূর্নীতি হয়েছে উচ্চ প্রাথমিকে। তাই স্বচ্ছতার সাথে পুনরায় মেরিট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে।” এরপর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি রুল গুলি পেশ করেন । পাশাপাশি অ্যাডভোকেট জেনারেল এই সংক্রান্ত যত মামলা রয়েছে তাঁর একটা তালিকা তুলেদেন বিচারপতির হাতে। বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, “আক্তারুল বা ভানু রায়ের যে মামলা চলছে এই মামলায় যা অর্ডার হবে সেই রায় কার্যকর হবে এই ধরনের যাবতীয় মামলার ক্ষেত্রে ।” পরের শুনানি তে বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য অ্যাডভোকেট জেনারেল কে আজ জানতে চান, তিনি যে রিট পটিশনের ৭৭৬ টি তালিকা দিয়েছেন তা কি সম্পূর্ণ? না আরও আছে? কিশোর দত্ত জানান এটি সম্পূর্ণ তালিকা নয় ।

তখন চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বিচারপতিকে বলেন, “ স্কুল সার্ভিস কমিশন আমাকে একটা চিঠি কমিউনিকেট করেছিল গত ১১-০৮-২০২০ যেখানে ১৯৭৯ টা রিট পিটিশন পেন্ডিং কিন্তু এখানে মাত্র ৭৭৬ টা আছে । সুতরাং এই ৭৭৬ টি বাদ দিয়েও কমপক্ষে ১২০৩ টি রিট পিটিশন এখনও পেন্ডিং রয়েছে ।” তখন অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, আরও প্রায় ১৮০০ টি রিট পিটিশন এখনও পেন্ডিং রয়েছে । সেগুলো প্রধান বিচারপতির সেক্রেটারি কে পাঠানো হয়েছে । পাশাপাশি সেক্রেটারি কে অনুরোধ করা হয়েছে দেওয়ার(অ্যাসাইন) জন্যে। সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই হাজার রিট পিটিশন পেন্ডিং রয়েছে। আজও অ্যাডভোকেট জেনারেলের বলা শেষ হয়নি । পরবর্তী শুনানি আগামী শুক্রবার। অর্থাৎ ২৫শে সেপ্টেম্বর । অপরদিকে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙ্গছে আপার প্রাইমারি চাকরি প্রার্থীদের । দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে শুধুই তারিখের পর তারিখ সমস্যার সমাধান কবে হবে এটা ভেবেই দিনের পর দিন হতাশ হয়ে যাচ্ছে চাকরিপ্রার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা সারা পশ্চিমবাংলার সকল শিক্ষিত মানুষ চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছে কলকাতা হাইকোর্টের দিকে । সকলেই চাইছেন যেন খুব দ্রুত কলকাতা হাইকোর্ট সমস্ত নিয়োগ বিধি মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার রায় দেওয়া হোক স্কুল সার্ভিস কমিশনকে ।