বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের মোদী বিরোধী বিক্ষোভ 

বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের মোদী বিরোধী বিক্ষোভ

বেতার বার্তা নিউজ ডেস্কঃ  শুক্রবার (২৬ মার্চ) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর ঘিরে প্রতিবাদে নেমে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন ইসলামি দলগুলোর নেতাকর্মীরা। এরপর চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে থানা ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের হামলার পর সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব চালিয়ে রেলওয়ে স্টেশন, জেলা পরিষদ ভবন, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারের বাসভবন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর করা হয়েছে। সেখানেও একজনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (২৭ মার্চ) দুপুর ১২টাই বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে একটি ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন হেফাজতের নেতাকর্মীরা। সেখানে হেফাজতের প্রায় এক হাজার নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন। বিক্ষোভ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবাদী শ্লোগান দিতে দেখা গেছে হেফাজতের কর্মীদের। বিক্ষোভে অংশ নিতে সংগঠনটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বাইতুল মোকাররমে আসছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে বিকেল ৩টায় পল্টনে আরেকটি বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক আহমদ আবদুল কাইয়ুম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হেফাজতের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সতর্ক পুলিশ

হেফাজতের বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে বায়তুল মোকাররম ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। পাশাপাশি র‍্যাব ও বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন মসজিদ এলাকায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে পল্টন মোড়ে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। এছাড়া বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের পাশেও অবস্থান নিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি বায়তুল মোকাররমের পাশে অর্থাৎ পল্টন মোড়ে রায়টকার, জলকামান ও প্রিজন ভ্যান রাখা রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদেরও আজ বিক্ষোভ মিছিলে করার কথা রয়েছে। এই মিছিলকে কেন্দ্র করেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মর্যাদার একজন কর্মকর্তা শনিবার সকালে ঢাকা পোস্টকে বলেছিলেন, বায়তুল মোকাররম এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাফ ও বিজিবির টহল রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Comments