বিশ্বসেরা স্বাস্থ্য নগরী মদিনা শরীফ ঘোষণা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO 

বিশ্বসেরা স্বাস্থ্য নগরী মদিনা শরীফ ঘোষণাঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO 

বেতার বার্তা নিউজ ডেস্কঃ অতিমারী করোনা বিধি মেনে অবাধ হজ্ব পালন এবছর বন্ধ ছিল। কিছুদিন আগে সৌদি আরবের হজ্ব ও উমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ বেনতেনের বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গালফ বিজনেস জানিয়েছিল, ওমরাহ হজ পুনরায় শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত ৫০ লাখ হাজি এবং মুসল্লি গ্র্যান্ড মসজিদে ইবাদত করেছেন। এসময় কোনও ইবাদতকারী করোনায় আক্রান্ত হননি।

বিশ্বের অন্যতম স্বাস্থ্য নগরী হিসেবে রাষ্ট্রসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা WHO ‘হু’ স্বীকৃতি দিল সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিনিধি দল মদিনা শহর ঘুরে দেকার পর বিশ্বের মাপাকাঠিতে স্বাস্থ্য নগরী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০ লক্ষ মানুষের বসতি সম্পন্ন মদিনা নগরী হল প্রথম শহর যেটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বাস্থ্য নগরী হিসেবে শিরোপা দিয়েছে।

২২টিরও বেশি সরকারি, বেসরকারি ও স্বোচ্ছাসেবী সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ সমীক্ষার কাজে সহায়তা করেছে। এসব সংস্থাকে প্রযুক্তিগত সহায়তা করেছে স্থানীয় তাইবাহ বিশ্ববিদ্যালয়। এই ২২টি সংস্থায় ১০০জন সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. আবদুল আজি আসারানি। মদিনা অঞ্চলের বিভিন্ন প্রকল্প এবং ‘মানবতার শহর’ কর্মসূচিই স্বাস্থ্য নগরীর হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়ে উঠেছে।

করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত মার্চ মাসে উমরাহ হজ স্থগিত করে সউদী আরব। পরে সেপ্টেম্বরে দেশটি জানায়, তারা ধাপে ধাপে উমরাহ চালু করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৪ অক্টোবর থেকে আবারও উমরাহ হজ চালু করে সৌদি আরব।

উল্লেখ্য সৌদি আরব অর্থাৎ মক্কা এবং মদিনায় সারা বৎসর ওমরার জন্য। এবং বছরে একবার হজ্ব পালনের জন্য পৃথিবীর সমস্ত দেশ থেকে মুসলিম ধর্ম প্রাণ পুরুষ, মহিলারা পবিত্র নগরীতে যান। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী মুসলিম নর-নারীর জন্য হজ্ব পালন অপরিহার্য ।

Comments